Saturday , August 17 2019
Breaking News
Home / আইনের সূচি / পিআরবি প্রয়োজনীয় বিধিসমূহ

পিআরবি প্রয়োজনীয় বিধিসমূহ

 

ধারা

বিবরণ

৩২

ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার চেয়ারম্যান এর সঙ্গে পুলিশ অফিসার সু-সর্ম্পক রাখবেন।

৩৩

জনগণের সাথে পুলিশ অফিসার ভাল সর্ম্পক স্থাপন করবেন।

৩৪

অবসর প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার গণের সহিত পুলিশ অফিসারগণ সু-সর্ম্পক রাখবেন।

৩৫

স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট।
কাঃবিঃ ১২, পুলিশ আিইন-৫ ধারা

৮৭

পুলিশ অফিসার কোন মসজিদ মন্দিরের জন্য চাঁদা আদায় করতে পারবেন না।

৮৮

পুলিশ অফিসার অস্ত্রের লাইসেন্স হইতে মুক্ত।
অস্ত্র আইনের ১(খ)

১০৭

পুলিশ অফিসার সাংবাদিকতায় জড়িয়ে পড়তে পারবেন না।

১০৮

পুলিশ সদস্য সরকারের নীতির সমালোচনা করতে পারবেন না।

১১০

পুলিশ সদস্য কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নিলামে বা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়তে পারবেন না। পুলিশ আইন-১০ ধারা
শাস্তি পেনাল কোডের-১৬৮ ধারা

১১৮

পুলিশ সদস্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য ডিউটি করবেন।
পুলিশ আইন-৩১ ধারা
ডিএমপি-১৭ ধারা।

১২০

১৩৪

পুলিশ অফিসার কোন অপরাধের খবর জানতে পারলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাহা জানাবেন।
পুলিশ আইন-২৩ ধারা
কাঃ বিঃ ১৫০ ধারা।

১৪২

বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য মৌখিক নির্দেশ।
কাঃ বিঃ আইনের -১২৭ ধারা।

১৪৩

বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি প্রয়োগ।
কাঃ বিঃ ১২৮ ধারা
পুলিশ আইন-৩০-ক ধারা।

১৪৫

কোন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সেখানে সশস্ত্র পুলিশ দল নিয়োগ করা।

১৫১

বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার সময় উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট এর করণীয়।

১৫২

বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার সময় উপস্থিত টিম লিডারের করণীয়/ব্রিফ প্রদান।

১৫৩

বেআইনী সমাবেশ কোন ভাবেই ছত্রভঙ্গ না হইলে প্রয়োজনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে হইবে।
পেনাল কোড- ১০০ ও ও ১০৩ ধারা।

১৫৪

বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার সময় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের পূর্বে বারবার হুশিয়ারী বা সতর্কৃ করতে হইবে।

১৫৫

বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার সময় যতটুকু ক্ষতি করা প্রয়োজন তার বেশি ক্ষতি করা যাবে না।

১৫৬

বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের পরে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে, গুলি খোসাগুলিশ ইস্যুকৃত গুলির সঙ্গে মিলাতে হবে, আহত ব্যক্তির চিকিকৎসার জন্য হাসপাতালে এবং মৃত ব্যক্তিকে মর্গে প্রেরণ করতে হবে।

১৬৩

কমান্ড সার্টিফিকেটঃ
পুলিশ সদস্য তার আইনানুগ ডিউটি সম্পাদনের পূর্বে তিনি কি ডিউটি করবেন, কোথায় ডিউটি করবেন, কার কাছে রির্পোট করবেন এমন নির্দেশমূলক আদেশনামাকে কমান্ড সার্টিফিকেট বলে ।
পিআরবি-৯০৯ বিধি।

১৬৪

শ্রমমূলক কাজ/ফেটিগ

১৯০

এএসপি অফিসে এএসআই এর বদলী হলে এএসপির সকল প্রকাই আইনানুগ কাজে বা সরকারী সকল দাপ্তরিক কাজে সাহায্য সহযোগিতা করা একজন এএসআই এর দায়িত্ব কর্তৃব্য হিসেবে গণ্য হইবে।

২০১

ভারপ্রাপ্ত কর্মৃকর্তা
কাঃ বিঃ ৪(ত)ধারা।

২০৭

এএসআই এর দায়িত্ব কর্তৃব্য

২০৮

কনস্টেবল এর দায়িত্বঃ
কনস্টেবল থানায় কর্মৃরত থাকাকালীন থানা এলাকার সকল আইনানুগ ডিউটি করা সহ অস্থায়ীভাবে থানার কেরানীর কাজ করা।

২১১

ভি আর রির্পোট করা।

২২০

সিভিলে ডিউটি করার সময় আইডি র্কাড সঙ্গে রাখতে হবে।

২৩৯

বিশেষ পরিস্থিতিতে একজন কনস্টেবল থানার দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

২৪৩

আমলযোগ্য মামলা অর্থ্যাৎ এজাহার
কাঃ বি আইন-১৫৪ ধারা।

২৫০

হৈ চৈ নোটিশঃ চোরাইমাল উদ্ধার বা ডাকাতি মাল উদ্ধার বা পেশাগত মাদক পাচারকারীকে পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পার্শ্ববর্তী থানা সমূহে যে নোটিশ প্রেরণ করেন তাকে হৈ চৈ নোটিশ বা শোরগোল বা চিৎকার নোটিশ বলে।

২৫১

বেওয়ারিশ সম্পত্তি
কাঃ বিঃ ৫২৩ ধারা
পুলিশ আইন-২৫, ২৬, ২৭ ধারা
ডিএমপি-২২ ধারা
রেলওয়ে-৫৬0

২৫২

কোন স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের মাঝে পুলিশ অফিসার হুশিয়ারী নোটিশ দিবেন।
আদেশ অমান্য করলে পেনাল কোড ১৫৪, ১৮৮ ধারার সাজা।

২৫৩

জালনোট
সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে যে টাকা গুলি বাজারজাত করেছেন। এমন টাকার মতই কিন্তু কিছু ত্রুটিযুক্ত টাকা অবৈধভাবে বাজারজাত করা হয় এইসব টাকা গুলিকে জাল টাকা বা জালনোট বলে।

২৫৪

যে মামলার এফআইআর দেয়া হয়নি।

২৫৫

স্টেশন অফিসারের কর্তৃব্য
ক। এএসআই মামলা তদন্ত করতে পারে না।
খ। এএসআই যদি ২০৭-গ বিধি মোতাবেক থানার দায়িত্ব থাকেন তাহলে মামলা তদন্ত করতে পারেন।

২৫৬

মামলা তদন্তের পূর্বে থানার রেজিষ্টারপত্র দেখে নিতে হবে।

২৫৭

আমলযোগ্য মামলার সন্দেহের ক্ষেত্রে যা করণীয়
কাঃ বিঃ ১৫৭ ধারা

২৫৮

মামলার ঘটনাস্থল সরেজমিনে তদন্ত করতে হবে।
কাঃ বিঃ ১৫৬ ধারা

২৬০

মামলা তদন্তকালে বা তল্লাশী কালে কাউকে হয়রানি করা যাবে না।

২৬৩, ২৬৪

কেস ডায়েরীঃ
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলা তদন্তের শুরু থেকে তদন্তের শেষ পর্যন্ত মামলার যাবতীয় বিষয়াদি যে ডায়েরীতে লিপিবন্ধ করেন সেই ডায়েরীকে কেস ডাইরী বলে।
কাঃ বিঃ ১৭২ ধারা।

২৬৫

পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করণ।
কাঃ বিঃ ১৬১ ধারা।

২৬৬

মৃত্যুকালীন জবানবন্দিঃ
কোন ব্যক্তি মৃত্যুকালীন সময়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বা আদালতে কোন বিচারাধনি বিষয় সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন সেই বিবৃতিকে মৃত্যুকালীন জবানবন্দি বলে।
সাক্ষ্য আইনের-৩২(১) ধারা

২৭২

চার্জশীটঃ
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলা তদন্ত করে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধটি প্রমানিত হলে অপরাধীদের বিচার করার জন্য বিজ্ঞ আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করেন সেই প্রতিবেদনকে চার্জশীট বা অভিযোগ পত্র বলে।
কাঃ বিঃ ১৭৩ ধারা।

২৭৩

কোন আমলযোগ্য অপরাধ তদন্তকালে ঘটনাস্থলের খসড়া ম্যাপ বা মানচিত্র নিতে হবে।

২৭৪

এমইঃ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলা তদন্তের ফলাফল উর্ধ্বতন অফিসার বা এসপিকে জানাবেন।
কাঃ বিঃ ১৬৮ ধারা।

২৭৫

চুড়ান্ত প্রতিবেদনঃ
মামলা তদন্তকারী কর্মৃকর্তা মামলা তদন্ত করে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধটি প্রমানিত না হলে অভিযুক্তদের অপরাধের দায় হইতে মুক্তি দানের নিমিত্তে বিজ্ঞ আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করেন সেই প্রতিবেদনকে চুড়ান্ত প্রতিবেদন বা ফাইনাল রির্পোট বলে।
কাঃবিঃ ১৭৩ ধারা।

২৭৭

মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পর যদি নতুন করে কোন তথ্য বা উপাত্ত পাওয়া যায় তাহলে আদালতের অনুমতিক্রমে মামলাটি তদন্তের জন্য পুণঃজীবিত করা যাবে।

২৭৮

মামলা তদন্তের ফলাফল মামলার বাদীকে জানাতে হবে।

২৮০

তল্লাশীঃ
কাঃ বিঃ আইনের ৯৪, ৯৫, ৯৮, ৯৯(ক) এবং ১০০ ধারা মোতাবেক মামলার আলামত, অবৈধ ডাক পার্সেল, চোরাইমাল, জাল দলিল, অবৈধ প্রকাশনা এবং বেআইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য পরোয়ানাসহ বা পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ অফিসার যে কার্যক্রম পরিচালনা করেন তাকে তল্লাশী বলে।কাঃ বিঃ ১০২, ১০৩ ধারা।

২৮২

টিআই প্যারেডঃ
কোন মামলার সন্দেহভাজন আসামীকে সনাক্ত করার জন্য একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে যে প্যারেড করা হয় তাকে টিআইন প্যারেড বলে।

৩৪৩

এ রোলঃ
থানার এলাকার অপরাধ প্রবণতা বেড়ে গেলে থানা এলাকায় বসবাসকারী পুরাতন চোর, ডাকাত, অভ্যাসগত অপরাধী বা সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীকে খুজে পাওয়া না গেলে তার নাম ঠিকানা স্বভাব চরিত্র জানার জন্য বর্তমানে যে থানা এলাকায় বসবাস করছেন সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর যে তালিকা প্রেরণ করা হয় সেই তালিকাকে এ-রোল বলে।

৩৪৪

বি রোলঃ
থানা এলাকার অপরাধ প্রবনতা বেড়ে গেলে থানা এলাকায় কোন ভবঘুরে সন্দেহজনক ব্যক্তি ঘোরাঘোরা করলে সেই ব্যক্তির নাম ঠিকানা স্বভাব চরিত্র জানার জন্য তার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর যে তালিকা প্রেরণ করা হয় সেই তালিকাকে বি-রোল বলে।

৩৫৬

টহল ডিউটিঃ
থানা এলাকার অপরাধ প্রবনতা বেড়ে গেলে আইনশৃঙ্খলাসহ অপরাধ নিবারনের জন্য থানার টহল ডিউটি বৃদ্ধি করতে হবে।

৩৬৯, ৩৭০

চৌকিদার প্যারেডঃ
থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার  জন্য তানা এলাকায় যত চৌকিদার আছে তাদেরকে ডেকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মৃকর্তা যে প্যারেড করেন তাকে চৌকিদারী প্যারেড বলে।

৩৭৬

রিসিভ, ডেসপাস রেজিষ্টারঃ
থানা কোন চিঠিপত্র আসলে যে রেজিস্টারে এন্ট্রি করে গ্রহণ করা হয় সেই রেজিস্টারকে রিসিভ রেজিস্টার বলে। রিসিভ রেজিস্টারের খন্ড ৫ টি।

৩৭৭

জেনারেল ডায়েরীঃ
থানা পুলিশের সকল কার্যকলাপ সম্পর্কে যে ডায়েরীতে লেখা হয় ডায়েরীকে জেনারেল ডায়েরী বলে।
কাঃ বিঃ ১৫৪, ১৫৫ ধারা।
পুলিশ আইনঃ ৪৪ ধারা।

৩৭৯

সন্দিগ্ধ সম্পত্তি/চুরি যাওয়া সম্পত্তিঃ
যে সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে সন্দেহ হয় বা পরিত্যক্ত অবস্থায় মালামাল পাওয়া গেলে বা কোন সন্দেহজনক ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া গেলে সেই সম্পত্তিকে সন্দিগ্ধ সম্পত্তি বলে।
কাঃ বিঃ ৫৫০ ধারা।

৩৮০

খতিয়ান রেজিস্টারঃ
থানায় কোন মামলা হলে সেই মামলার যাবতীয় তথ্যাদি যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয় বা সংরক্ষণ করা হয় সেই রেজিস্টারকে খতিয়ান রেজিস্টার বলে।

৩৮২

জরিমানা রেজিস্টার

৩৮৯

ইনকোয়ারী স্লিপঃ
কোন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পর তার সঠিক নাম ঠিকানা স্বভাব চরিত্র জানার জন্য তার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে যে চিঠি প্রেরণ করা হয় তাকে ইনকোয়ারী শ্লিপ বলে।

৩৯১

ভিসিএনবিঃ
থানা এলাকার গ্রামের অপরাধীদের তথ্য বা গ্রামের অপরাধের তথ্য বা কোন সাজা প্রাপ্ত অপরাধীর তথ্য যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয় সেই রেজিস্টারকে ভিসিএনবি বলে।

৪২০

নন জিয়ারোঃ
এএসআই কোর্টে কর্মরত থাকাকালীন কোট সাব-ইন্সপেক্টর এবং ইন্সপেক্টরকে সরকারী কাজে সাহায্য সহযোগিতা করা একজন এএসআই এর কর্তৃব্য।

৪৪৪

মামলার ব্রিফঃ
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করার পর কোট পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করিয়া ভুল ত্রুটি নির্ণ্য় পূর্ব্ক সংশোধনের লক্ষ্যে যে ব্রিফ প্রস্তুত করেন তাকেই মামলার ব্রিফ বলে।

৪৭১

সমনঃ
কোন মামলার বাদী বা ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত সীল মোহরকৃত দুই কপি বিশিষ্ট যে আদেশনামা দেওয়া হয় সেই আদেশনামাকে সমন বলে।
কাঃ বিঃ ৬৮ ধারা।

৪৭২

হুলিয়াঃ
কোন আসামীর বিরুদ্ধে ৬৮ ধারা মোতাবেক সমন ৭৫ ধারা মোতাবেক গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করার পরেও যদি আদালতে হাজির করা না যায় সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিনের সময় দিয়ে যে আদেশনামা ইস্যু করা হয় তাকেই হুলিয়া বলে।
কাঃ বিঃ ৮৭ ধারা।

৪৭৪

সম্পত্তি ক্রোকঃ
কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৬৮ ধারা মোতাবেক সমন, ৭৫ ধারা মোতাবেক গ্রেফতারী পরোয়ানা এবং ৮৭ ধারা মোতাবেক সম্পত্তি হুলিয়া ইস্যু করার পরেও যদি আদালতে হাজির করা না যায় সেক্ষেত্রে তার স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি আদালতের হেফাজতে নেওয়াকে ক্রোক বলে।
কাঃ বিঃ ৮৭।

৪৭৪

ক্রেকি পরোয়ানাঃ
কোন মামলার আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়না দেওয়ার পরও যদি আদালতে হাজির না হয় তাহলে উক্ত আসামীকে আদালতে হাজির করার লক্ষ্যে উক্ত আসামীর স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি সরকারী হেফাজতে নেওয়ার জন্য যে পরোয়ানা ইস্যু করা হয় তাকে ক্রোকি পরোয়ানা বলে।
কাঃ বিঃ ৮৮ ধারা।

৬৩৫

৬৩৮

ক্রাইম সিনঃ
কোন মামলার ঘটনাস্থল থেকে ক্রাইম সিন সংগ্রহ করতে হবে।

৬৬৭

৬৬৯

৬৭০

অতিরিক্ত পুলিশঃ
থানা এলাকার অপরাধ নিবারণের জন্য পুলিশের অন্য ইউনিট থেকে যে পুলিশ নিয়োজিত করা হয় সেই পুলিশকে অতিরিক্ত পুলিশ বলে।
পুলিশ আইন- ১৩, ১৪, ১৫ ধারা।
ডিএমপি-৩৬

৬৯৫

টেজারী গার্ড ডিউটিঃ
ট্রেজারী ডিউটি করার সময় সরকারী সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য পুলিশ অফিসার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন।
কাঃ বিঃ ১০৩ ধারা।

৭০৩

র্স্কট কমান্ডারের দায়িত্বঃ
সরকারী মালামাল র্স্কট করার সময় সরকারী সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য র্স্কট কমান্ডার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন।
কাঃ বিঃ ১০৩ ধারা।

৮৫৭

পুলিশ সদস্য কোন প্রকার অপরাধ করলে সে দুই ধরনের শাস্তি ভোগ করবেন।
১। লঘু দন্ড
২।গুরু দন্ড
পুলিশ আইন-৭ ধারা

৯০৯

১৬৩

সিসি/কমান্ড সার্টিফিকেট।

৯৫১

পুলিশ সদস্য পোষাক পরিহিত অবস্থায় আইন-শৃঙ্খলা ডিউটি করবেন।

পিআরবি আরও কিছু গুরুত্বর্পূণ বিধিসমূহ

ধারা

বিবরণ

১৪৩

সমাবেশ নিষিদ্ধ করার নিমিত্তে কাঃ বিঃ আইনের ১৪৪ ধারা জারীর জন্য ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আবেদন করা।

৩২৩

পরোয়ানাভূক্ত আসামীকে কোন ভাবে গ্রেফতার করা সম্ভব না হলে থানা থেকে ১৫ দিন পর পর বিজ্ঞ আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয় তাকে এনইআর বলে।

৩৯৩

অপরাধ রেজিস্টারঃ গ্রামের ভবঘুরে, সন্দেহভাজন অপরাধী ও অভ্যাগত অপরাধীদের তথ্য যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে অপরাধ রেজিস্টার বলে।

৩৯৪

সাজাপ্রাপ্ত রেজিস্টারঃ
গ্রামের সাজা প্রাপ্ত অপরাধীদের তথ্য যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে সাজাপ্রাপ্ত রেজিস্টার বলে।

৪০০

গ্রামের ইতিবৃত্ত রেজিস্টারঃ থানা এলাকার কোন গ্রামের অপরাধের তথ্য, অপরাধীদের কোন ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত এবং অপরাধীদের অতীত জীবনের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্য যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে ইতিবৃত্ত রেজিস্টার বলে।

৪০৩

৪০৪

নিরীক্ষণ রেজিষ্টারঃ
থানা এলাকার গ্রামের কোন ব্যক্তি অপরাধের সাথে জড়িত বা জড়িত বলে সন্দেহ হলে এমন অপরাধীদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য তথ্য যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে নিরীক্ষণ রেজিস্টার বলে।

৪০৫

সূচীপত্রঃ থানা এলাকার সাজাপ্রাপ্ত ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের নাম ঠিকানা কোন রেজিস্টারে কত পৃষ্টায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তার সুত্র যে রেজিস্টারে লিপিব্ধ করা হয় তাকে সুচিপত্র বলে।

৪৪৫

এফএমঃ কোন মামলার বিচারকার্যৃ চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার পর কোট পুলিশ অফিসার এই মামলার ফলাফল জানিয়ে থানার অফিসার ইনচার্জৃ বরাবর যে পত্র প্রেরণ করেন তাকে এফএম বা চুড়ান্ত স্মারকলিপি বলে।

৪৬৭

স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করণঃ
কোন আসামী অপরাধ স্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করা হয়।
সাক্ষ্য আইন-২৬ ধারা।

৪৬৮

গ্রেফতারী পরোয়ানাঃ
কোন সাক্ষী বা অপরাধীকে আদালতে হাজির করার জন্য আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত আদেশ নামাকে গ্রেফতারী পরোয়ানা বলে।
কাঃ বিঃ ৭৫ ধারা।

৫১৫

জেল প্যারেডঃ
যে সকল অপরাধীদের পিআর করা হয়েছে অথবা আসন্ন সপ্তাহে মুক্তি দেওয়া হবে এমন অপরাধীদের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য পুলিশ অফিসারদের উপস্থিতিতে জেলখানার ভিতবে যে প্যারেড বা মহড়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে জেল প্যারেড বলে।

৫২৬

মালখানা রেজিস্টারঃ
থানা হতে তদন্তক প্রতিবেদনের সাথে প্রেরিত মালামাল কোর্টের মালখানায় সংরক্ষণের জন্য উক্ত মালামাল সম্পর্কিত তথ্য যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয় সেই রেজিস্টারকে মালখানা রেজিস্টার বলে।

৬৩৫

ক্রাইম সিনঃ
কোন মামলার ঘটনাস্থল থেকে বস্তুগত সাক্ষ্য বিজ্ঞান ভিত্তিক সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করাকে ক্রাইম সিন বলে।

৯০৮

ডিউটি রেজিস্টার।

১১১২

ইন্সপেকশন রেজিস্টার

১১৩৮

ক্যাশ বহি/ক্যাশ রেজিস্টার।
print

About masum

Check Also

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইন ২০১৩ এর প্রয়োজনীয় ধারাসমূহ

  ধারা বিবরণ ৫৭ কোন ব্যক্তি সম্পর্কে অসত্য তথ্য/অশ্লীল ছবি/মানহানিকর কিছু তথ্য যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *