Saturday , August 17 2019
Breaking News
Home / আইনের সূচি / পেনাল কোড এর অতি প্রয়োজনীয় ধারা সমূহ

পেনাল কোড এর অতি প্রয়োজনীয় ধারা সমূহ

ধারা

বিবরণ

২০ বিচারালয়: বিচার করার জন্য সরকার কর্তৃক ঘোষিত নির্ধারিত কোন জায়গা বা স্থানকেই বিচারালয় বলে।
২১ সরকারি কর্মচারি: যথাযথ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সরকারের দেওয়া নিয়মনীতি মেনে বেতন ভাতা ভোগ করেন এমন সব ব্যক্তিকে সরকারি কর্মচারী বলে।
২২ স্থাবর সম্পত্তি: যে সম্পত্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় না, সর্বদা জমি বা ভূমির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এমন সম্পত্তিকে স্থাবর সম্পত্তি বলে।
২২ অস্থাবর সম্পত্তি: যে সম্পত্তি এক স্থান থেকে অন্যস্থানে স্থানান্তর করা যায়, যা সর্বদা জমি বা ভূমির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে না এমন সম্পত্তিকে অস্থাবর সম্পত্তি বলে।
২৩ অন্যায় লাভ: কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তিতে আইননানুগ অধিকার না থাকা শর্তেও যদি উক্ত সম্পত্তি লাভ করেন তাহলে এমন লাভ করাকে অন্যায় লাভ বলে।
২৩ অন্যায় ক্ষতি: কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তিতে আইনানুগ অধিকার থাকার পরও যদি উক্ত ব্যক্তি সেই সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তাহলে এমন ক্ষতিকে অন্যায় ক্ষতি বলে।
২৪ অসাধুভাবে: কোন ব্যক্তি অন্যায়ভাবে অপর কোন ব্যক্তির ক্ষতি সাধন করলে সেই ব্যক্তি উক্ত কাজ অসাধুভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
২৫ প্রতারণামূলকভাবে: কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির অন্যায়ভাবে ক্ষতি সাধন করলে বা করার চেষ্টা করলে সেই ব্যক্তি উক্ত কাজ প্রতারণামূলকভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
২৭ স্বামীর সম্পত্তি স্ত্রী না বলে নিলে বা স্ত্রীর সম্পত্তি স্বামী না বলে নিলে চুরি বলে গণ্য হবে।
২৮ নকলকরণ: কোন ব্যক্তি সরকার কর্তৃক অনুমতি ব্যতীত কোন জিনিস বা বস্তুর মতই অন্য কোন জিনিস বা বস্তু তৈরি করলে সে নকলকরণ করেছে বলে গণ্য হব্।
২৯ দলিল: এমন কোন জিনিস বা বস্তু যার দ্বারা নিজের অধিকার আদায় করা যায় বা অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায় সেই জিনিস বা বস্তুকে দলিল বলে।
৩০ মূল্যবান জামানত: এমন কোন জিনিস বা বস্তু যার দ্বারা নিজের জন্য অন্যের কাছে কোন কিছু দাবি করা যায় এমন বিষয় বা বস্তুকে মূল্যবান জামানত বলে।
৩৪ একই উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যৌথভাবে অপরাধ করতে গিয়ে একজন অপরাধ করলে সবাই একই অপরাধে অপরাধী হিসেবে গন্য হবে।
৩৯ স্বেচ্ছাকৃতভাবে: কোন ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় কোন কাজ করলে সেই ব্যক্তি উক্ত কাজ স্বেচ্ছাকৃতভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
৪০ অপরাধ: যে কাজ করলে বা না করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান আছে বা আইনে যে কাজ করতে বলা হয়েছে সেই কাজ না করা আর যে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে সেই কাজ করাকে অপরাধ বলে।
কাঃবিঃ ৪(ণ)ধারা।
৫২ সদবিশ্বাস: যথাযথ সতর্কতা এবং মনোযোগ সহকারে কোন কাজ করা হলে সেই কাজ সদবিশ্বাসে করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
৫২-ক আশ্রয়দান: স্বামী-স্ত্রী ব্যতীত, কোন ব্যক্তি কোন অপরাধীকে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, পানীয় বা অন্য কিছু দ্বারা সাহায্য করলে সেই ব্যক্তি অপরাধীকে আশ্রয়দান করেছে বলে গণ্য হবে।
৭৫ বর্ধিতসাজা: কোন ব্যক্তি পেনাল কোড ১২ এবং ১৭ অধ্যয়ের অপরাধ গুলো বার বার করলে তাকে সংশোধনের জন্য আদালত নির্ধারিত সাজার চেয়ে অতিরিক্ত যে সাজা প্রদান করেন সেই সাজাকে বর্ধিত সাজা বলে।
৭৬ সরকারি কর্মচারী নিজেকে আইনবলে বাধ্য মনে করে বা ভূল ধারনা বশত: কোন কাজ করতে গিয়ে অপরাধ হয়ে গেলেও তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৭৯ জনসাধারণ নিজেকে আইনবলে বাধ্য মনে করে বা ভূল ধারণা বশতঃ কোন কাজ করতে গিয়ে অপরাধ হয়ে গেলেও তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮০ কোন ব্যক্তি কোন আইনানুগ কাজ করতে গিয়ে কোন দুর্ঘটনাবশতঃ অপরাধ ঘটলে তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮১ কোন ব্যক্তি কোন আইনানুগ কাজ করতে গিয়ে এক সঙ্গে দুটি অপরাধ তার সম্মুখে আসলে তুলনামূলকভাবে বড় অপরাধটি না করে ছোট অপরাধটি করলে সেক্ষেত্রে তার অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮২ ৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশু কর্তৃক কৃতকার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮৩ ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশু কর্তৃক কৃতকার্য:
১। শিশুটির বুদ্ধির পরিপক্কতা থাকলে অপরাধ হবে।
২। শিশুটির বুদ্ধির পরিপক্কতা না থাকলে অপরাধ হবে না।
৮৪ পাগল ব্যক্তির কৃতকার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮৫ কোন ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বা অন্যের দ্বারা নেশাগ্রস্থ হয়ে খুন বা রাষ্ট্রদ্রাহি কোন অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ সংঘটন করলে সে অপরাধের দায় থেকে রেহায় পাবে বা তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮৬ কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নেশাগ্রস্থ হয়ে অপরাধ সংঘটন করলে সে অপরাধের দায় হতে রেহায় পাবে না।
৮৭ অনুমতিসহ খেলাধুলা করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত: কোন ক্ষতি হয়ে গেলে তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮৮ অনুমতিসহ সৎবিশ্বাসে কোন ব্যক্তির উপকার করতে গিয়ে ক্ষতি হয়ে গেলে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৮৯ শিশু বা পাগলের উপকার করার জন্য তার অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে উপকার করতে গিয়ে কোন ক্ষতি হলে তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৯২ অনুমতি ছাড়া সদবিশ্বাসে কোন ব্যক্তির উপকার করতে গিয়ে ক্ষতি হয়ে গেলে তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৯৩ সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগের ফলে অপরাধ সংঘটিত হলে তাহা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৯৪ কোন ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা গুরুতর জঘমের ভয় দেখিয়ে অপরাধ করে নিলে উক্ত ব্যক্তি অপরাদের দায় থেকে রেহায় পাবে। তবে সরকারি আশ্রয়ের সুযোগ থাকলে রেহায় পাবে না।
৯৫ কোন সামান্য ক্ষতিকারক কার্জ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
৯৬-৯৭ আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার:
পেনাল কোড আইনের ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে নিজের জানমাল, অপরের জানমাল এবং সরকারি সম্পত্তি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আইনে যে অধিকার দেওয়া হয়েছে সেই অধিকারকে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার বলে।
৯৮ পাগলের ক্ষেত্রেও আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যায়।
৯৯ যে ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় না:
পেনাল কোড আইনের ৯৯ ধারা মোতাবেক নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যায় নাঃ
১। সরকারি কর্মচারী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আইনানুগ কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু বা গুরুতর জখমের সম্ভাবনা না থাকলে।
২। সরকারি কর্মচারীর আইনানুগ কাজের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যায় না।
৩। সরকারি কর্মচারী বা অন্য কোন ব্যক্তি তার আইনানুগ কাজ করতে গিয়ে আশ্রয় লাভের সুযোগ থাকলে।
৪। অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে যতটুকু ক্ষতি করা প্রয়োজন ততটুকুই করতে হবে তার বেশি ক্ষতি করা যাবে না।
১০০ দেহের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকারঃ
পেনাল কোড আইনের ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে ১০০ ধারা মোতাবেক নিজের দেহ এবং অপরের দেহ আক্রমনকারীর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যায়ঃ
১। এমন আঘাত মৃত্যুই যার পরিণতি।
২। এমন আঘাত গুরুতর জখমই যার পরিনতি।
৩। ধর্ষনের অভিপ্রায়ে আক্রমণ।
৪। অপ্রকৃত কাম লালসার জন্য আক্রমন।
৫। অপহরনের জন্য আক্রমণ।
৬। এমন অবস্থায় আটক যে ক্ষেত্রে আশ্রয় লাভের সুযোগ থাকে না।
পিআরবি ১৫৩ বিধি
১০১ দেহের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে মৃত্যু ছাড়া অন্য কোন ক্ষতি সাধন করে যদি অধিকার আদায় করা যায় সেক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যায় না।
১০২ দেহের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার আরম্ভ স্থিতিকালঃ
পেনাল কোড ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে দেহের উপর আক্রমনকারীর আক্রমন যখন শুরু হয় তখন আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ শুরু হয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আক্রমণকারীর আক্রমন চলবে ততক্ষণ অধিকার বলবৎ থাকবে বা চলবে, যখন আক্রমণকারীর আক্রমণ শেষ হবে তখন অধিকার প্রয়োগ শেষ হবে।
১০৩ সম্পত্তির ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার:
পেনাল কোড আইনের ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে ১০৩ ধারা মোতাবেক নিজের সম্পদ অপরের সম্পদ এবং সরকারি সম্পদ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যায়ঃ
১। দস্যুতা বা ডাকাতির ক্ষেত্রে
২। রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ
৩। গৃহ বা তাবুতে অগ্নি সংযোগ
৪। এমন অবস্থায় চুরি যে ক্ষেত্রে অধিকার প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর জখমের সম্ভাবনা রয়েছে।
পিআরবি-১৫৩ বিধি
১০৪ সম্পত্তির ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে মৃত্যু ছাড়া অন্য কোন ক্ষতি সাধন করে যদি অধিকার আদায় করা যায় সেক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যায় না।
১০৫ সম্পত্তির ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার আরম্ভ স্থিতিকাল:
পেনাল কোড ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে সম্পত্তির উপর আক্রমনকারীর আক্রমন যখন শুরু হয় তখন আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ শুরু হয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আক্রমণকারীর আক্রমন চলবে ততক্ষণ অধিকার বলবৎ থাকবে বা চলবে, যখন আক্রমণকারীর আক্রমণ শেষ হবে তখন অধিকার প্রয়োগ শেষ হবে।
১০৬ নিরপরাধ ব্যক্তি বা শিশুর ক্ষেত্রেও আত্মরক্ষার অধিকার:
পেনাল কোড আইনের ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে নিজের জানামাল অপরের জানমাল এবং সরকারি সম্পত্তি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে নিরপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধেও আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োজ করা যায়।
পিআরবি-১৫৩ বিধি
১০৭ সহায়তা:
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করার জন্য বুদ্ধি পরামর্শ বা অন্য কোন ভাবে সাহায্য করলে সে ব্যক্তি সহায়তা করেছে বলে গণ্য হবে।
১০৮ দুষ্কর্মে সহায়তা:
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে অপরাধ করার জন্য বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে বা অন্য কোন ভাবে সাহায্য করলে সে ব্যক্তি দুষ্কর্মে সহায়তা করেছে বলে গণ্য হবে।
১০৯ কোন অপরাধমূলক কাজ করার জন্য অনুপস্থিত থেকে সহায়তা করার সাজা
১১১ কোন ব্যক্তিকে যে অপরাধটি করার জন্য বলা হয়েছে সেই অপরাধসহ অন্য আর একটি অপরাধ করার জন্য সহায়তাকারীর সাজা
১১৩ কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে যে অপরাধটি করার জন্য বলেছেন সেই অপরাধটিই বেশি করার জন্য সহায়তাকারীর সাজা
১১৪ কোন অপরাধমূলক কাজ করার জন্য উপস্থিত থেকে সহায়তা করার সাজা
১১৫ তুলনামূলকভাবে বড় কোন অপরাধমূলক কাজ করার জন্য সহায়তা করলে অপরাধটি না হলেও সহায়তাকারী অপরাধের দায় থেকে রেহায় পাবে না।
১১৬ তুলনামূলক ছোট কোন অপরাধমূলক কাজ করার জন্য সহায়তা করলে অপরাধটি না হলেও সহায়তাকারী অপরাধের দায় হতে রেহায় পাবে না।
১১৮ যে অপরাধটি এখনও সংঘটিত হয় নাই এমন অপরাধের খবর জনসাধারণ জানার পরও পুলিশকে সংবাদ না দেওয়ার সাজা
১১৯ যে অপরাধটি এখনও সংঘটিত হয় নাই এমন অপরাধের খবর সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জানার পরও পুলিশকে সংবাদ না দেওয়ার সাজা।
১২০-(ক) অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একত্র হয়ে কোন অপরাধমূলক কাজ করার জন্য সলাপরামর্শ বা যুক্তিবুদ্ধি করলে তারা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে বলে গণ্য হবে।
১২০-(খ) অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করার সাজা।
১৪০ সৈনিক বা নাবিক বা বৈমানিকের ব্যবহৃত পোষাক ব্যবহার করা বা প্রতিক ধারণ করার সাজা
১৪১ বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে যদি সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে বা সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা প্রদান করে বা সরকারি কর্মচারীকে ভয়ভীতি দেখায় বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে বা জনগণের আইনানুগ অধিকার খর্ব করে তবে তাকে বেআইনী সমাবেশ বলে।
পুলিশ আইন-৩০-ক ধারা
১৪৩ বেআইনী সমাবেশ করার সাজা।
১৪৪ মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বেআইনী সমাবেশ করার সাজা
১৪৬ দাঙ্গা:
বেআইনী সমাবেশের সদস্য কর্তৃক যদি উগ্রতা প্রদর্শন করা হয় বা অস্ত্র প্রদর্শন করা হয় কিংবা বলপ্রয়োগ করা হয় বা গাড়ী ভাংচুর করা হয় তখন সেই সমাবেশকে দাঙ্গা বলে।
১৪৭ দাঙ্গা করার সাজা
১৪৮ মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা করার সাজা
১৫৪ জমি জমার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর সেই আদেশ অমান্য করার সাজা।
কাঃবিঃ ১৪৫ ধারা
পিআরবি ২৫২ বিধি
১৫৯ মারামারি/কলহ:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে যদি জনসম্মুখে ঝগড়া করে জনগণের শান্তি বিনস্ট করে তবে তাকে মারামারি/কলহ বলে।
১৬০ কলহ/মারামারি করার সাজা
১৬১ ঘুষ:
কোন সরকারি কর্মচারী তার বৈধ পারিশ্রমিক ব্যতীত অন্যায়ভাবে অতিরিক্তি অর্থ উপার্জন করাকে ঘুষ বলে।
১৬১ ঘুষের ব্যাখ্যা:
ঘুষ আদান প্রদানে তিন ধরনের লোক লাগে:
১। ঘুষ গ্রহীতা
২। ঘুষ দাতা
৩। ঘুষ দেওয়ার মাধ্যম
১৬১ যে ব্যক্তি ঘুষ নিবে, সে ব্যক্তি কর্তৃক টাকা ঘুষ নেওয়ার সাজা।
১৬২ যার মা্ধ্যমে ঘুষ দিবেন সে যদি ঘুষ গ্রহিতার উপর ব্যক্তিগত প্রভাব খাটাতে না পারেন এমন দালালের সাজা
১৬৩ যার মাধ্যমে ঘুষ নিবেন সে যদি নিকটতম লোক হয়, সেই নিকটতম দালালের সাজা।
১৬৪ কাছের এবং দুরের উভয় দালাল সহায়তাকারী হিসেবে দালালের সাজা
১৬৫ যে ব্যক্তি ঘুষ নিবে সে ব্যক্তি কর্তৃক মূল্যবান জিনিসপত্র ঘুষ নেওয়ার সাজা
১৬৫-ক যে ব্যক্তি ঘুষ দিবেন, তার ঘুষ যদি অফিসার গ্রহণ না করেন তাহলে ঘুষ প্রদানকারী ব্যক্তি ঘুষের সহায়তাকারী হিসেবে সাজা পাবেন
১। টাকা ঘুষ না নিলে ১৬১/১১৬ ধারায় সাজা
২। মূল্যবান দ্রব্যাদি গ্রহণ না করলে ১৬৫/১১৬ ধারায় সাজা।
১৬৫-খ যে ব্যক্তি ঘুষ দিবেন, তার ঘুষ যদি অফিসার গ্রহণ করেন তাহলে ঘুষ প্রদানকারী ব্যক্তি অপরাধের দায় হতে রেহায় পাবেন।
১৬৮ সরকারি কর্মচারী কর্তৃক বেআইনীভাবে ব্যবসায় লিপ্ত হওয়ার সাজা।
১৬৯ সরকারি কর্মচারী কর্তৃক বেআইনীভাবে সম্পত্তি ক্রয় করার সাজা।
১৭০ সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করা বা সরকারি কর্মচারী বলিয়া মিথ্যা পরিচয় দেওয়ার সাজা
১৭১ সরকারি কর্মচারীর পোষাক পরিধান বা প্রতীক ধারণ করার সাজা
১৭২ সমন যার প্রতি জারি করা হবে, সে যদি সমন জারি করার সময় আত্মগোপন করেন তবে তার সাজা
১৭৩ যার প্রতি সমন জারি করা হবে, সে যদি সমন জারি করার সময় বাধা দেয় তার সাজা।
১৭৪ পুলিশ অফিসারের নিকট হাজির হওয়ার জন্য কোন ব্যক্তিকে লিখিত আদেশ দেওয়ার পর যদি সেই ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের নিকট হাজির না হন সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির সাজা।
কাঃবিঃ ১০৩(১), ১৬০, ১৭৫ ধারা।
১৭৫ পুলিশ অফিসারের নিকট দলিলাদি হাজির করার জন্য লিখিত আদেশ দেওয়ার পর যদি সেই ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের নিকট উক্ত দলিল হাজির না করার সাজা।
কাঃবিঃ ৯৪ ধারা
১৭৬ কোন ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধের খবর পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে না দেওয়ার সাজা।
কাঃবিঃ ৪৪, ৪৫ ধারা
১৭৭ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে একরকম, পুলিশকে খবর দিয়েছে অন্য রকম কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন মিথ্যা খবর দেওয়ার সাজা।
১৭৯ কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের নিকট হাজির হয়ে পুলিশ অফিসারের জিজ্ঞাসায়িত প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ার সাজা।
১৮৭ পুলিশ অফিসার কোন ব্যক্তির নিকট যুক্তিসংগত ভাবে সাহায্য দাবি করলে সেই ব্যক্তি পুলিশ অফিসারকে সাহায্য না করার সাজা।
কাঃবিঃ ৯৪, ১০৩(১), ১৬০, ১৭৫ ধারা
১৯১ মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি কোন বিষয়কে অসত্য বলে জানার পরেও যদি সেই বিষয় সম্পর্কে সত্য হিসেবে বিবৃতি প্রদান করেন তাহলে সেই ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে।
১৯৩ মিথ্যা সাক্ষ্য দানের সাজা
১৯৭ কোন ব্যক্তি কর্তৃক মিথ্যা সার্টিফিকেট দেওয়া বা সাক্ষর করার সাজা
১৯৮ কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন বিষয়কে বা সার্টিফিকেটকে মিথ্যা বলিয়া জানার পরও তাহা সত্য বলিয়া ব্যবহার করার সাজা।
২০১ কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধীকে বাচাঁনোর জন্য অপরাধের আলামত নষ্ট করার সাজা।
২০২ কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধীকে বাচাঁনোর জন্য অপরাধের খবর পুলিশকে না দেওয়ার সাজা।
২০৪ কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধের আলামত নষ্ট করার সাজা
২১১ কোন ব্যক্তি কর্তৃক কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার সাজা
২১২ কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন মামলার অপরাধীকে আশ্রয়দান করা সাজা (স্বামী-স্ত্রী ব্যতীত)
২১৬ হাজত হতে পলায়ন করেছেন এমন আসামীকে আশ্রয়দান করার সাজা
২১৬-ক কোন ব্যক্তি কর্তৃক ডাকাত বা দস্যুকে আশ্রয়দান করার সাজা
২২০ কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতারের অযোগ্য ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করার সাজা।
২২৩ পুলিশ হেফাজত থেকে আসামী পলায়ন করলে যে পুলিশের নিকট থেকে আসামী পলায়ন করবে সেই পুলিশের সাজা।
২২৪ কোন আসামীকে গ্রেফতারের সময় আসামী নিজেই গ্রেফতার কাজে বাধা প্রদান করার সাজা।
২২৫ কোন আসামীকে গ্রেফতারের সময় তার আত্মীয়-স্বজন কর্তৃক গ্রেফতার কাজে বাধা প্রদান করার সাজা।
২২৫ কোন আসামীকে গ্রেফতারের সময় তার আত্মীয়-স্বজন কর্তৃক গ্রেফতার কাজে বাধা প্রদান করার সাজা।
২৬৮ গণউপদ্রব:
কোন ব্যক্তি কর্তৃক জনসম্মুখে এমন কোন কাজ করা যার দ্বারা জনগণের বিরক্তি সৃষ্টি হয় এমন কার্য করাকে গণউপদ্রব বলে।
২৬৯ অবহেলা করে মারাত্মক রোগের সংক্রমন বিস্তার করার সাজা।
২৭০ ইচ্ছাকৃতভাবে জীবন বিপন্নকারী রোগের সংক্রমন বিস্তার করার সাজা।
২৭৯ রাজপথে বোপরোয়াভাবে গাড়ী চালানোর সাজা
মটরযান আইন ১৪৩ ধারা।
২৯০ কোন ব্যক্তি কর্তৃক গণউপদ্রব করার সাজা।
২৯৫ কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্মীয় সমাবেশে উপসনালয়ের ক্ষতি সাধন করার সাজা।
২৯৬ কোন  ব্যক্তি কর্তৃত ধর্মীয় সামাবেশে গোলমাল করার সাজা।
২৯৭ কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধ সংঘটনের জন্য গোরস্থানে অনধিকার প্রবেশ করার সাজা।
২৯৮ কোন ব্যক্তি কর্তৃক কথার দ্বারা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার সাজা।
২৯৯ দন্ডার্হ নরহত্যা/অপরাধজনক প্রাণহানি:
পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া, উত্তেজনা বসত, মেরে ফেলার ইচ্ছা ব্যতীত আঘাত করে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে সেই মৃত্যুকে দন্ডার্হ নরহত্যা বা অপরাধজনক প্রাণহানি বলে।
৩০০ খুন:
পূর্ব পরিকল্পিতভাবে, সুস্থ্য মস্তিস্কে, মেরে ফেলার ইচ্ছায় এমনভাবে আঘাত করেন যার দ্বারা মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে জেনে আঘাত করে মৃত্যু ঘটানোকে খুন বলে।
৩০১ যে ব্যক্তি খুন করার ইচ্ছা ছিল ভুলবসত অন্য ব্যক্তিকে খুন করার সাজা।
৩০২ কোন ব্যক্তিকে খুন করার সাজা।
৩০৩ একবার খুন করে আবার খুন করার সাজা।
৩০৪ অপরাধজনক প্রাণহানি বা দন্ডার্হ করার সাজা।
৩০৪-ক কোন ব্যক্তি কর্তৃক অবহেলা করে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর সাজা।
৩০৪-খ রাজপথে বেপরোয়া গাড়ী চালিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর সাজা।
৩০৫ কোন ব্যক্তি কর্তৃক শিশু বা পাগলকে আত্মহত্যায় সহায়তা করার সাজা।
৩০৬ কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রাপ্ত বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় সহায়তা করার সাজা।
৩০৭ কোন ব্যক্তিকে খুনের চেষ্টা করার সাজা।
৩০৯ নিজে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করার সাজা।
৩১৯ আঘাত:
কোন ব্যক্তি অপর কোন  ব্যক্তিকে শারিরীকভাবে যন্ত্রণা দিলে সেই ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে গণ্য হবে।
৩২০ গুরুতর আঘাত:
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে নিম্ন বর্ণিতভাবে শারিরীকভাবে যন্ত্রণা দিলে সে ব্যক্তি গুরুতর আঘাত করেছে বলে গণ্য হবে।
১। পুরুষত্বহীনকরণ
২। স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টিশক্তি রহিতকরন
৩। স্থায়ীভাবে কানের শ্রবণশক্তি রহিতকরণ
৪। শরীরের যে কোন অঙ্গ হানিকরণ
৫। যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী কর্মশক্তি হানিকরণ
৬। মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতিকরণ
৭। হাড় বা দাঁত ভঙ্গকরণ
৮। এমন আঘাত যাহা ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র দৈহিক যন্ত্রনা দেয়
৩২৩ কোন ব্যক্তিকে হাত দ্বারা বা ভোতা অস্ত্র দ্বারা সাধারণ আঘাত করার সাজা।
৩২৪ কোন ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা সাধারণ আঘাত করার সাজা।
৩২৫ কোন ব্যক্তিকে হাত দ্বারা বা ভোতা অস্ত্র দ্বারা গুরুতর আঘাত করার সাজা।
৩২৬ কোন ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা গুরুতর আঘাত করার সাজা।
৩২৬-ক কোন ব্যক্তির চোখ উপড়ে ফেলার সাজা।
৩২৮ কোন ব্যক্তিকে বিষক্রিয়ার মাধ্যমে আঘাত করার সাজা অর্থাৎ  মলম পার্টির সাজা।
৩৩০ পুলিশ হেফাজতে আসামীকে সাধারণ আঘাত করার সাজা।
৩৩১ পুলিশ হেফাজতে আসামীকে গুরুতর আঘাত করার সাজা।
৩৩২ আইনানুগ কার্য সম্পাদনকালে জনগণ কর্তৃক সরকারি কর্মচারীকে সাধারণ আঘাত করার সাজা।
৩৩৩ আইনানুগ কার্য সম্পাদনকালে জনগণ কর্তৃক সরকারিকে গুরুতর আঘাত করার সাজা।
৩৩৮-ক রাজপথে বেপরোয়াভাবে গাড়ী চালিয়ে কোন ব্যক্তিকে আঘাত করার সাজা।
৩৪২ কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে ০২ (দুই) দিন পর্যন্ত আটক রাখার সাজা।
৩৪৩ কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে ০৩ (তিন) দিন হতে ০৯ (নয়) দিন পর্যন্ত আটক রাখার সাজা।
৩৪৪ কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে ১০ (দশ) হতে ততোধিক দিন পর্যন্ত আটক রাখার সাজা।
৩৪৯ বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির গতি পরিবর্তন করে দিলে সেই ব্যক্তি বলপ্রয়োগ করেছে বলে গণ্য হবে।
৩৫০ অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন  ব্যক্তি অবৈধভাবে বা অন্যায়ভাবে অপর কোন ব্যক্তির গতি পরিবর্তন করে দিলে সেই ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে বলে গণ্য হবে।
৩৫১ আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি জেনে বুঝে এমন অঙ্গ-ভঙ্গি করেন যার দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির মনে ভীতির সঞ্চার করে এমন কার্য করাকে আক্রমণ বলে।
৩৫৪ নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ করার সাজা।
৩৫৯ লোক অপহরণ:
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে প্ররোচনা দিয়ে বা প্রতারণা করে অন্যায়ভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করাকে ব্যক্তি অপহরণ বলে।
৩৬২ ব্যক্তি অপহরণ:
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে প্ররোচনা দিয়ে বা প্রতারণা করে অন্যায়ভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করাকে ব্যক্তি অপহরণ বলে।
৩৬৩ লোক বা ব্যক্তি অপহরণ করার সাজা
৩৬৪ খুন করার উদ্দেশ্যে লোক বা ব্যক্তি অপহরণ করার সাজা্
৩৭৫ ধর্ষণঃ
কোন ব্যক্তি নিম্ন বর্ণিতভাবে কোন স্ত্রী লোকের সহিত যৌন সঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে গণ্য হবে।
১। স্ত্রী লোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
২। স্ত্রী লোকটির সম্মতি ব্যতীত।
৩। স্ত্রী লোকটির সম্মতিসহ যে ক্ষেত্রে ভয় দেখিয়ে সম্মতি নেওয়া হয়েছে।
৪। স্ত্রী লোকটির সম্মতিক্রমে যে ক্ষেত্রে পুরুষটি জানে সে তার স্ত্রী না আর স্ত্রী লোকটি জানে সে তার স্বামী।
৫। যে ক্ষেত্রে স্ত্রী লোকটির বয়স ১৪ বছরের কম।
৩৭৬ ধর্ষণের সাজা
বর্তমানে না:শি:নি: ৯ ধারা প্রযোজ্য।
৩৭৮ চুরি:
কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত অস্থাবর সম্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্যে সম্মতি ব্যতীত একস্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করাকে চুরি বলে।
৩৭৯ ঘরের বাহির হতে বা খোলা জায়গা হতে মালামাল চুরি করার সাজা।
৩৮০ ঘর বা আবদ্ধ স্থান হতে মালামাল চুরি করার সাজা।
৩৮১ কেরানী বা চাকর কর্তৃক মনিবের মালামাল চুরি করার সাজা।
৩৮২ আঘাত করার প্রস্তুতি নিয়ে চুরি করার সাজা
৩৮৩ বলপূ্র্বক সম্পত্তি গ্রহণ:
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি প্রদান করতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় বা গ্রহণ বলে।
৩৮৫ কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে উক্ত সম্পত্তি আদায় না হলে তার সাজা
৩৮৬ কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে উক্ত সম্পত্তি আদায় হলে তার সাজা।
৩৯০ দস্যুতা:
চুরিকালে বা চুরি করার সময় চোরের সদস্য কর্তৃক যদি কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয় বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় তবে এমন চুরিকে দস্যুতা বলে।
৩৯১ ডাকাতি:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি ছিনাইয়া নিলে বা হস্তান্তরে বাধ্য করলে তাকে ডাকাতি বলে।
৩৯২ দস্যুতা করার সাজা
৩৯৪ দস্যুতাকালে আঘাত করার সাজা।
৩৯৫ ডাকাতি করার সাজা।
৩৯৬ খুনসহ ডাকাতি করার সাজা
৩৯৯ ডাকাতি করার প্রস্তুতির সাজা
৪০৩ কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন কিছু কুড়িয়ে পাওয়ার পর সেই সম্পত্তি ফেরত না দেওয়া বা পুলিশের নিকট হস্তান্তর না করিয়া নিজে ভোগ বা তসরুপ করার সাজা।
৪০৪ কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন মৃত ব্যক্তির সম্পদ কেড়ে নেওয়া বা তসরুপ করা বা নিজে ভোগ বা আত্মসাৎ করার সাজা।
৪০৮ কেরানী বা চাকর কর্তৃক কোন সম্পত্তিতে ক্ষমতাবান দেখাশুনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে উক্ত সম্পত্তি নিজে ভোগ করা বা বিশ্বাস ভঙ্গ করার সাজা।
৪০৯ ব্যাংকার, বণিক বা সরকারি কর্মচারী কর্তৃক কোন সম্পত্তিতে ক্ষমতাবান বা দেখাশুনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে উক্ত সম্পত্তি নিজে ভোগ করা বা বিশ্বাস ভঙ্গ করার সাজা।
৪১০ চোরাইমাল:
যে সম্পত্তি দস্যুতা বা ডাকাতি বা চুরি বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে বা সন্দেহজনক ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এমন সম্পত্তিকে চোরাইমাল বলে।
কাঃবিঃ ৫৫০ ধারা
৪১১ কোন ব্যক্তি কর্তৃক চোরাইমাল নিজ হেফাজতে রাখার সাজা।
৪১২ কোন ব্যক্তি কর্তৃক ডাকাতির মাল নিজ হেফাজতে রাখার সাজা।
৪১৩ কোন ব্যক্তি কর্তৃক চোরাইমাল কেনা বেচা করার সাজা।
৪১৫ প্রতারণাঃ
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে কোনভাবে ফাঁকি দিয়া বা অসাধুভাবে কোন সম্পত্তি আদায় করলে সে ব্যক্তি প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হবে।
৪১৬ অপরের রুপ ধারণপূর্বক প্রতারণা করা।
৪১৭ কোন ব্যক্তি প্রতারণা করলে তার সাজা।
৪১৯ অপরের রুপ ধারণপূর্বক প্রতারণা করার সাজা।
৪২০ কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা ধার নিয়ে উক্ত টাকা ফেরত না দিয়ে প্রতারণা করার সাজা।
৪২৫ অনিষ্ট:
কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বা অন্যায়ভাবে অপর কোন ব্যক্তির সম্পত্তির ক্ষতি সাধন করলে সেই ব্যক্তি অনিষ্ট করেছে বলে গণ্য হবে।
৪২৬ কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির অনিষ্ট সাধন করলে তার সাজা।
৪৩৬ কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তির ঘরে অগ্নিসংযোগ করার সাজা।
৪৪১ অনধিকার প্রবেশ:
কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির দখলভূক্ত সম্পত্তিতে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে সে ব্যক্তি অনাধিকার প্রবেশ করেছে বলে গণ্য হবে।
৪৪২ অনধিকার গৃহে প্রবেশ:
কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তির বসবাসের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত স্থানে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে সেই ব্যক্তি অনাধিকার গৃহে প্রবেশ করেছে বলে গণ্য হবে।
৪৪৭ কোন ব্যক্তি কর্তৃক খোলা কোন জায়গায় অনধিকার প্রবেশ করার সাজা।
৪৪৮ কোন ব্যক্তি কর্তৃক আবদ্ধ কোন স্থানে বা গৃহে অনধিকার প্রবেশ করার সাজা।
৪৫৪ কোন ব্যক্তি কর্তৃক চুরি করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির বসবাসের স্থানে বা ঘরে দিনের বেলায় প্রবেশ করা বা সিধেল কাটি করার সাজা।
৪৫৭ কোন ব্যক্তি কর্তৃক আঘাত, আক্রমনের প্রস্তুতিসহ চুরির উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির বসবাসের স্থানে বা ঘরে রাত্রিবেলা প্রবেশ করা বা সিধেঁল কাটি করার সাজা।
৪৬০ কোন ব্যক্তি কর্তৃক চুরি করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির বসবাসের স্থানে বা ঘরে রাত্রিবেলা প্রবেশ করিয়া কাউকে গুরুতর আঘাত করা বা কারো মৃত্যু ঘটানোর সাজা।
৪৬১ দোকান ঘর চুরি করার সাজা।
৪৬৩
৪৬৬
জালিয়াতি:
কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তির অন্যায়ভাবে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করাকে পেনাল কোড আইনে ৪৬৩ ধারা মোতাবেক জালিয়াতি বলে।
৪৬৫ জালিয়াতি করার সাজা।
৪৯৭ ব্যভিচার:
কোন নারীকে বা অপর ব্যক্তির স্ত্রী হিসেবে জেনেও বা স্ত্রী লোকটি তাহার স্বামী নয় জেনেও উক্ত মেয়েটির সঙ্গে সম্মতিসহ যৌনসঙ্গম করাকে ব্যভিচার বলে।
৫০৩ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে তাহার সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে ভীতি প্রদর্শন করাকে অপরাধ মূলক ভীতি প্রদর্শন বলে।
৫০৬ কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করার সাজা।
৫০৯ কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন নারীকে উত্যক্ত করার সাজা
না:শি:নি: ১০ ধারা, পেনাল কোড ৩৫৪ ধারা।
৫১০ কোন ব্যক্তি কর্তৃক মদ পান করে রাস্তায় ঘোরাফেরা করা বা মাতলামি করার সাজা।
৫১১ কোন প্রকার কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ করার জন্য চেষ্টা করার সাজা

পেনাল কোড আইনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ

ধারা

বিবরণ

১৪৯

সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনকল্পে সংঘটিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্র্রত্যেক সদস্যই দোষী বলে সাব্যস্থ হবে।

১৫২

বেআইনী সমাবেশ এবং দাঙ্গা দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধা প্রদান করার সাজা।

১৬৬

সরকারি কর্মচারী কর্তৃক কোন ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে আইন অমান্য করার সাজা। (মামলা না নেওয়া)

১৬৭

সরকারি কর্মচারী কর্তৃক কোন ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল প্রণয়ন করার সাজা (লঘু ধারায় মামলা রুজু)

১৮৮

সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জারীকৃত আদেশ অমান্য করার সাজা।

১৯৪

কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান করার সাজা।

২১৭

সরকারি কর্মচারি কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে শাস্তি থেকে বাচাঁনোর উদ্দেশ্যে আইন অমান্য করা।

২১৮

কোন ব্যক্তিকে শাস্তি হইতে বাচাইবার বা কোন সম্পত্তি বাজোয়াপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করিবার উদ্দেশ্যে সরকারি কর্মচারি কর্তৃক ভূল নথি লিপি প্রণয়ন।

২২১

গ্রেফতার করতে বাধ্য হওয়া সত্বেও সরকারি কর্মচারি কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রেফতার না করার সাজা।

২২২

দন্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও সরকারি কর্মচারী কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রেফতার না করার সাজা।

৪০৫

অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ

৪০৬

অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের সাজা।

৪০৭

বাহক কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের সাজা।

৪৬৬

আদালতের নথি বা সরকারি রেজিষ্টার জালিয়াতি করার সাজা।

৫০৮

কোন ব্যক্তিকে (জিন, ভূত, ইত্যাদি দ্বারা) বিধাতার দ্বারা বিপদে পড়বে এইরূপ কথা দ্বারা ভীতি প্রদর্শন করার সাজা (জিনের বাদশার সাজা)।

print

About masum

Check Also

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইন ২০১৩ এর প্রয়োজনীয় ধারাসমূহ

  ধারা বিবরণ ৫৭ কোন ব্যক্তি সম্পর্কে অসত্য তথ্য/অশ্লীল ছবি/মানহানিকর কিছু তথ্য যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *