Sunday , July 21 2019
Breaking News
Home / আইনের সূচি / ১৮৯৮ সালের কার্যবিধি আইন এর অতি প্রয়োজনীয় ধারাসমূহ

১৮৯৮ সালের কার্যবিধি আইন এর অতি প্রয়োজনীয় ধারাসমূহ

১৮৯৮ সালের কার্যবিধি আইন এর অতি প্রয়োজনীয় ধারাসমূহ

ধারা বিবরণ
৪-(খ) জামিনযোগ্য অপরাধঃ যে সকল অপরাধ করলে অপরাধীর জন্য দেশের প্রচলিত আইনে জামিনের ব্যবস্থা আছে বা অত্র আইনের দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য দেখানো হয়েছে সেই অপরাধ গুলোকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলে।
৪-(খ) জামিনের অযোগ্য অপরাধঃ যে সকল অপরাধ করলে অপরাধীর জন্য দেশের প্রচলিত আইনে জামিনের ব্যবস্থা আছে বা নাই অত্র আইনের দ্বিতীয় তফসিলে জামিন অযোগ্য দেখানো হয়েছে সেই অপরাধ গুলোকে জামিনের অযোগ্য অপরাধ বলে।
৪(গ) অভিযোগঃ কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচারকের নিকট সুবিচার পাওয়ার আশায় যে নালিশ করেন সেই নালিশকেই কাযবিধি আইনের ৪(গ) ধারা মোতাবেক অভিযোগ বলে।
৪(জ)

নালিশঃ কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচারকের নিকট সুবিচার পাওয়ার আশায় যে অভিযোগ করেন সেই অভিযোগকেই কাঃ বিঃ আইনের ৪(জ) ধারা মোতাবেক নালিশ বলে।

৪(ট) অনুসন্ধানঃ কোন অপরাধের তথ্য উৎঘাটনের জন্য বিচারকের বিচারকার্য ব্যতীত অন্যান্য সকল কার্যক্রমকেই অনুসন্ধান বলে।
৪(ঠ) তদন্তঃ কোন অপরাধের তথ্য উৎঘাটনের জন্য বিচারকের নিকট থেকে অনুমতি প্রাপ্ত কোন পুলিশ অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেই কার্যক্রমকেই তদন্ত বলে।
৪(ণ) অপরাধঃ আইনের পরিপন্থি কার্যক্রমকেই অপরাধ বলে বা আইনে যে সকল কাজ করার জন্য বলা হয়েছে সেই কাজ না করা এবং যে সকল কাজ করার জন্য নিষেধ করা হয়েছে সেই সকল কাজ করাকেই অপরাধ বলে।–পেনাল কোড-৪০ ধারা।
৪(চ) আমলযোগ্য অপরাধঃ যে সকল  অপরাধ করলে সেই অপরাধীকে পুলিশ অফিসার আদালতে অনুমতি ব্যতীত বা বিনা পরোয়নায় গ্রেফতার করতে পারেন সেই অপরাধ গুলোকে আমলযোগ্য অপরাধ বলে।
৪(ঢ) আমলের অযোগ্য অপরাধঃ যে সকল অপরাধ করলে সেই অপরাধীকে পুলিশ অফিসার আদালতের অনুমতি ব্যতীত বা বিনা পরোয়নায় গ্রেফতার বরকে পারেন না সেই সকল অপরাধ গুলোকে আমলের অযোগ্য অপরাধ বলে।
৪(ত) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাঃ থানার অফিসার ইনচার্জ এর অসুস্থতা, ছুটি বা অন্য কোন কারণে থানায় অনুপস্থিত থাকলে সেই সময় যে পুলিশ অফিসার থানার দায়িত্বে থাকেন সেই অফিসারকেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলে। (পিআরবি-২০১ বিধি)
১২ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেটঃ ফৌঃ কাঃ আইনের ১২ ধারা, পুলিশ আইনের ৫ ধারা এবং পিআরবি ৩৫ বিধি মোতাবেক বিশেষ সময়ে, বিশেষ এলাকার বিশেষ কোন কাজ করার জন্য সরকার যাকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ করেন সেই ম্যাজিস্ট্রেটকেই স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলা হয়।
৪২ সুস্থসবল জনগণ বৈধ আইনানুগ কাজে পুলিশ সাহায্য চাইলে পুলিশকে সাহায্য করতে বাধ্য।
৪৩ জনসাধারণ অপর জনসাধারণকে সাহায্য করতে পারবে।
৪৪ জনসাধারণ কতিপয় আমলযোগ্য অপরাধের খবর জানতে পারলে উক্ত খবর পুলিশকে দিতে বাধ্য।
যেমন-রাষ্ট্রদ্রোহ, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, চুরি, ডাকাতি, দস্যুতা, বেআইনী সমাবেশ, দাঙ্গা, অগ্নিসংযোগ, খুন ইত্যাদি।
৪৫ যে সকল জনসাধারণ খবর দিতে বাধ্যঃ
গ্রামের মেম্বার, চেয়ারম্যান, চৌকিদার, দফাদার, গ্রাম প্রধান, জমির মালিক ইত্যাদি গন্যমান্য ব্যক্তিবগ পুলিশকে খবর দিতে বাধ্য।
৪৬ গ্রেফতারঃ কোন অপরাধ বা কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তি স্বাধীনতা খর্ব করিয়া আইনানুগ পদ্ধতিতে আদালতের বা পুলিশের হেফাজতে নেওয়াকে গ্রেফতার বলে। (পিআরবি-৩১৬ বিধি)
৪৬ গ্রেফতারের পদ্ধতিঃ
১। কথা বা কার্য দ্বারা বা দেহ স্পর্শ করে গ্রেফতার ।
২। কৌশল অবলম্বর করে গ্রেফতার।
৩। মৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত আসামী না হলে গ্রেফতার কালে মৃত্যু ঘটানো যাবে না (পিআরবি-৩১৬ বিধি)।
৪৭ যাকে গ্রেফতার করা হবে, তিনি যে স্থানে প্রবেশ করেছেন সেই স্থানের মালিকের অনুমতি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করে গ্রেফতার করতে হবে।
৪৮ আবদ্ধ স্থানের মালিক অনুমতি না দিলে দরজা-জানাল ভেঙ্গে সেখানে প্রবেশ করে গ্রেফতার করতে হবে।
৪৯ পুলিশ অফিসার কাউকে গ্রেফতার করতে গিয়ে যদি কোন আবদ্ধ স্থানে আটকা পরেন তাহলে মুক্তিলাভের জন্য দরজা-জানালা ভেঙ্গে বাহির হতে পারবেন।
৫০ গ্রেফতারকালে পুলিশ অফিসারকে যতটুকু ক্ষমতা দেওয়া্ আছে তার বেশি বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা যাবে না।
৫১ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি। (পিআরবি-৩২২ বিধি)।
৫২ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মহিলা হলে মহিলা পুলিশ বা অন্য একজন মহিলা দ্বারা দেহ তল্লাশি করাতে হবে। (পিআরবি-৩২২ বিধি)।
৫৩ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নিকট কোন আপত্তিকর অস্ত্র-শস্ত্র পাওয়া গেলে তাহা আটক
৫৪ যে সকল ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাযঃ
১। কোন আমলযোগ্য অপরাধীকে
২। কারো কাছে ঘর ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে
৩। সরকার ঘোষিত অপরাধীকে
৪। কারো কাছে চোরাইমাল পাওয়া গেলে
৫। কেউ পুলিশের কাজে বাধা দিলে
৬।সামরিক বাহিনী হতে কেউ পলায়ন করলে
৭। কেউ বিদেশে অপরাধ করে দেশে ফিরে আসলে
৮। মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী ৫৬৫(৩) লংঘন করলে
৯। কাউকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অফিসারের নিকট হইতে অনুরোধ পত্র পাওয়া গেলে।
পিআরবি-৩১৬ বিধি।
৫৫ থানা এলাকায় কোন ভবঘুরে, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার।
৫৬ অধস্তন অফিসারকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের দায়িত্ব দেসন তখনকার কার্যবিধিঃ
৫৭ পুলিশের সামনে কেউ আমলের অযোগ্য অপরাধ করলেঃ
১। পুলিশ অফিসারের নিকট প্রকৃত নাম ঠিকানা জানাতে অস্বীকার করলে তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা।
২। গ্রেফতারের পর প্রকৃত নাম ঠিকানা পাওয়া গেলে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
৩। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নাম ঠিকানা পাওয়া না গেলে তাকে আদালতে পাঠাতে হবে।
৫৮ গ্রেফতারের সময় আসামী পলায়ন করলে তার পিছে পিছে দেশের যে কোন স্থানে গমন করে গ্রেফতার করা যাবে।
৫৯ জনগণ কর্তৃক গ্রেফতারঃ
*জনসাধারণের সামনে কেউ আমলযোগ্য অপরাধ করলে জনগন সেই অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন
*জনগন অপরাধীকে গ্রেফতার করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করার যর যাচাই করে যদি প্রকৃত অপরাধী হয় তাহলে পুলিশ অফিসার তাকে পুনরায় গ্রেফতার করবেন।
*জনগন অপরাধীকে গ্রেফতার করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করার পর যাচাই করে যদি অপরাধী না হয় তাহলে পুলিশ মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দিবেন। পিআরবি-৩১৭ বিধি।
৬১ গ্রেফকারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে।
৬৩ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির জামিন বা মুচলেকা বা আদালতের বিশেষ কোন আদেশ থাকলে ছেড়ে দেওয়া যাবে, না থাকলে ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
৬৫ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কেউ অপরাধ করলে সেই অপরাধীকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিনে জনগন তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
৬৬-৬৭ গ্রেফতারের পর আসামী পলায়ন করলে তার পিছে পিছে দেশের যে কোন স্থানে গমন করে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে।
৬৮ সমনঃ কোন মামলার বাদী বা ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত সীল মোহরকৃত দুই কপি বিশিষ্ট যে আদেশনামা দেওয়া হয় সেই আদেশনামাকে সমন বলে। (পিআরবি-৪৭১ বিধি)
৬৯ সমন জারির পদ্ধতিঃ
১। সমনের ১ কপি প্রদান করলেই সমন জারি হয়েছে বলে গণ্য হবে।
২। ১কপি প্রদান করে অপর কপিতে প্রাপ্তি স্বীকার নিয়ে সমন জারি করতে হবে।
৩। প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা হলে তার প্রধানের নিকট কপি প্রদান করে প্রাপ্তি স্বাক্ষর নিয়ে সমন জারি হয়েছে বলে গণ্য হবে।
৭০ যার প্রতি সমন জারি করা হবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে বাড়ির সাবালক পুরুষের নিকট এক কপি দিয়ে সমন জারি করতে হবে।
৭১ বাড়ির সাবালক পুরুষ পাওয়া না গেলে প্রকাশ্য স্থানে ১কপি টানিয়ে দিয়ে সমন জারি করতে হবে।
৭২ যার প্রতি সমন জারি করা হবে তিনি সরকারী কর্মচারী হইলে তার অফিস প্রধান বরাবর সমনের কপি প্রেরন করে সমন জারি করতে হবে।
৭৩ স্থানীয় সীমানার বাহিরে সমন জারি
৭৪ যাহার নামে সমন জারি করা হয়েছে তার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র আদালতে প্রমাণ করা যাবে।
৭৫ গ্রেফতারী পরোয়ানাঃ কোন মামলার আসামী বা অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার জন্য আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত সীলমোহরকৃত ১কপি  যে আদেশনামা ইস্যু করা হয় তাকে গ্রেফতারী পরোয়ানা বলে। (পিআরবি-৪৬৮ বিধি)।
৭৬ গ্রেফতারী পরোয়ানা মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে  দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকলে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া যাবে। (পিআরবি-৩১৭ বিধি)।
৭৭ পরোয়ানায় উল্লিখিত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য এক বা একাধিক পুলিশ দ্বারা পরোয়ানা তামিল করা যাবে
৭৮ পরোয়ানা উল্লিখিত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য এক বা একাধিক পুলিশ দ্বারা পরোয়ানা তামিল করা যাবে।
৭৯ পরোয়ানায় উল্লিখিত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য যে অফিসারের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে তার অধস্তন অফিসার দ্বারা তামিল করাতে পারেন।
৮০ পরোয়ানায় উল্লিখিত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের সময় কারণ জানতে চাইলে তাকে জানাতে হবে।
৮১ গ্রেফতাকৃত ব্যক্তিকে অবিলম্বে আদালতে প্রেরণ করতে হবে।
৮২-৮৩ পরোয়ানায় উল্লিখিত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য দেশের যেকোন স্থানে  গমন করে পরোয়ানা তামিল করা যাবে।
৮৪-৮৫ পরোয়ানায় উল্লিখিত ব্যক্তিকে ২০ মাইল দূরে গিয়ে গ্রেফতার করা হলে সেখানে নিকটস্থ থানায় জমা দিয়ে আসলে তামিল হয়েছে বলে গণ্য হবে।
৮৭ হুলিয়াঃ কোন আসামীর বিরুদ্ধে ৬৮ ধারা মোতাবেক সমন ৭৫ ধারা মোতাবেক গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করার পরেও যদি আদালতে হাজির করা না যায় সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিনের সময় দিয়ে যে আদেশনামা ইস্যু করা হয় তাকেই হুলিয়া বলে।
(পিআরবি-৪৭২)
৮৮ সম্পত্তি ক্রোকঃ কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৬৮ ধারা মোতাবেক সমন, ৭৫ ধারা মোতাবেক গ্রেফতারী পরোয়ানা এবং ৮৭ ধারা মোতাবেক সম্পত্তি হুলিয়া ইস্যু করার পরেও যদি আদালতে হাজির করা না যায় সেক্ষেত্রে তার স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি আদালতের হেফাজতে নেওয়াকে ক্রোক বলে। (পিআরবি-৪৭৪ বিধি)।
৮৯ ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার নিয়মন
৯০ সাক্ষীর প্রতি বারবার সমন দেওয়ার পরও যদি সে আদালতে সাক্ষী দিতে না যায় তাহলে সমনের অতিরিক্ত পরোয়ানা জারি।
৯১ কোন ব্যক্তির নিকট হইতে মুচলেকা নিয়ে তাকে আদালতে হাজির হতে বাধ্য করা যায়।
৯৩-ক বাংলাদেশের বাহিরে সমন জারি
৯৩-খ বাংলাদেশের বাহিরে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি
৯৪ মামলার আলামত/দলিলাদি উদ্ধারের জন্য তল্লাশী
৯৫ অবৈধ ডাক বা পার্সেল উদ্ধারের জন্য তল্লাশী
৯৬ তল্লাশী পরোয়ানা
৯৭ পরোয়ানায় উল্লেখিত স্থান ছাড়া অন্যত্র তল্লাশী করা যাবে না
৯৮ আবদ্ধ স্থান হইতে চোরাইমাল, জাল দলিল, অবৈধ মালামাল উদ্ধারের জন্য তল্লাশী।
৯৯-ক অবৈধ প্রকাশনা উদ্ধার করার জন্য তল্লাশী
১০০ বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য তল্লাশী
১০২ তল্লাশীর নিয়মাবলীঃ
১। আবদ্ধা স্থানের মালিকের নিকট হইতে অনুমতি নিয়ে তল্লাশী করতে হবে। (পিআরবি-২৮০)
২। বাড়ির মালিক অনুমতি না দিলে কাঃবিঃ আইনের ৪৯ ধারা মোতাবেক দরজা-জানালা ভেঙ্গে তল্লাশী।
৩। তল্লাশীর সময় কাউকে সন্দেহ হলে কাঃ বিঃ আইনের ৫১, ৫২ ধারা মোতাবেক সেই ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে হবে।
১০৩ তল্লাশীর নিয়মাবলীঃ
১। আশ-পাশের ২/৩ জন গন্যমান্য ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে ডাকতে হবে।
২। সাক্ষীর সামনে তল্লাশি করে মালামালের গায়ে লেবেল লাগাতে হবে, জব্দ তালিকা তৈরি করে সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে
৩। বাড়ির মালিককে সঙ্গে নিয়ে তল্লাশী করতে হবে এবং জব্দ তালিকার কপি বাড়ীর মালিককে দিতে হবে।
৪। ভিন্ন তালিকা মালিককে দিতে হবে।
১০৬ দন্ডিত ব্যক্তির শান্তিরক্ষার মুচলেকা (পিআরবি-২৮৭)
১০৭ অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তিরক্ষার মুচলেকা (পিআরবি-২৮৭)
১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহমূলক অপরাধীর নিকট হইতে সদাচরণের মুচলেকা। (পিআরবি-২৮৮, ২৮৯, ২৯০)
১০৯ ভবঘুরে, সন্দেহভাজন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা (পিআরবি-২৮৮, ২৮৯, ২৯০)
১১০ অভ্যাসগত অপরাধীর সদাচরণের মুচলেকা (পিআরবি-২৮৮, ২৮৯, ২৯০)
১২৪ কোন অপরাধীকে যে শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেই শর্ত লঙ্গন করলে তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে।
১২৭ থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা/ম্যাজিস্ট্রেট বে-আইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হওয়ার জন্য মৌখিক নির্দেশ দিবেন। (পিআরবি-১৪২ বিধি)
১২৮ বেআইনী সমাবেশ মৌখিক নির্দেশে ছত্রভঙ্গ না হলে বলপ্রয়োগ করে বা জনগণের সাহায্য নিয়ে গ্রেফতার করে ছত্রভঙ্গ করতে হবে। (পিআরবি-১৪৩)
১২৯ সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ
১৪৪ কোন স্থতানে একই সময়ে একাধিক দল সমাবেশ করতে চাইলে আইন-শঙ্খলা অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জরুরি আদেশ জারি।
১৪৫ কোন জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে উক্ত জমিতে স্থিতি আদেশ জারি করেও বিরোধ নিষ্পত্তি করা যাবে।
১৪৬ কোন জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে প্রয়োজনে উক্ত জমি ক্রোক করেও বিরোধ নিষ্পত্তি করা যাবে।
১৪৭ জমির উভয় পক্ষকে দলিলাদি নিয়ে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দিয়েও বিরোধ নিষ্পত্তি করা যাবে।
১৪৮ কোন জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে উক্ত জমিতে প্রয়োজনে সরেজমিনে ম্যাজিস্ট্রেট প্রেরণ করেও বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়।
১৪৯ পুলিশের সামনে আমলযোগ্য অপরাধ হলে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করে তা প্রতিরোধ করিবে।
১৫০ আমলযোগ্য অপরাধের খবর উর্ধ্বতন অফিসারকে জানাতে হবে। পিআরবি-১২০, পুলিশ আইন-২৩ ধারা।
১৫১ প্রয়োজনে অপরাধীদের বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করে প্রতিরোধ করতে হবে। (পিআরবি-৩১৬ বিধি)
১৫২ পুলিশ সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবে।
১৫৩ থানা এলাকায় কোন স্থানে অবৈধ ওজন মাপক যন্ত্রপাতি থাকলে ভারপ্রাপ্ত কর্মৃকর্তৃা উক্ত স্থানে বিনা পরোয়ানায় তল্লাশী করে তাহা উদ্ধার করতে পারবেন। (ডিএমপি-২৪, পিআরবি-২৮০)
১৫৪ থানায় আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ আসলে বিষয়টি এজাহারে লিপিবদ্ধ করতে হবে। (পিআরবি-২৪৩ বিধি)।
১৫৫ আমলের অযোগ্য অপরাধের খবর থানায় আসলে যা করণীয়ঃ
১। বিষয়টি থানার জেনারেল ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করতে হবে। পিআরবি-৩৭৭ বিধি।
২।আমলের অযোগ্য অপরাধের বিষয়টি আদালতের অনুমতি ছাড়া তদন্ত করা যাবে না
৩। আমলের অযোগ্য অপরাধের বিষয়টি আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্ত করা যাবে
১৫৬ আমলযোগ্য অপরাধের ঘটনাস্থল পুলিশ সরেজমিনে তদন্ত করতে পারবেন। (পিআরবি-২৫৭)
১৫৭ আমলযোগ্য অপরাধের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে পুলিশ প্রথমে জিডি করে ঘটনাস্থল সরেজমিনে তদন্ত করবেন এবং ঘটনাটি সঠিক হলে থানায় এসে মামলা নিবেন। (পিআরবি-২৫৭ বিধি)।
১৬০ অপরাধের বিষয়টি যে ব্যক্তি জানেন। তার জবানবন্দি নেওয়ার জন্য সাক্ষী হিসেবে তাকে ডাকবেন।
১৬১ সাক্ষী হাজির হলে পুলিশ সাক্ষীদের জবানবন্দি লিপিবিদ্ধ করবেন (পিআরবি-২৬৫ বিধি)।
১৬২ সাক্ষির জবানবন্দীর স্বাক্ষর করতে সাক্ষিকে বলপ্রয়োগ বা বাধ্য করা যাবে না।
১৬৩ সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার সময় কোন প্রকার প্রলোভন দেখানো যাবে না (সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা।
১৬৪ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামীর সীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করণ (পিআরবি-৪৬৭ বিধি, সাক্ষ্য আইন-২৬ ধারা।
১৬৫ নিজ থানা এলাকায় মামলার আলামত উদ্ধারের জন্য বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি করা যাবে (পিআরবি-২৮০ বিধি)
১৬৬ অন্য থানা এলাকায় মামলার আলামত উদ্ধারের জন্য বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি করা যাবে (পিআরবি-২৮০ বিধি)।
১৬৭ গ্রেফতারকৃত আসামীর নিকট হইতে তথ্য পাওয়া যাবে এমন সম্ভাবনা থাকলে আসামিকে রিমান্ডে নিতে হবে। (পিআরবি-৩২৪ বিধি)
১৬৮ মামলা তদন্তের ফলাফল উর্ধ্বতন অফিসারকে জানাতে হবে। (পিআরবি-২৭৪ বিধি)।
১৬৯ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে তার নিকট হতে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া যাবে।
১৭০ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর সাক্ষ্য পর্যাপ্ত হলে অপরাধীকে আদালতে প্রেরণ করতে হবে, তবে অপরাধটি যদি জামিনযোগ্য হয় সেক্ষেত্রে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া যাবে।
১৭১ অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করতে  হবে।
১৭২ মামলা তদন্তকারী কমকর্তাকে তদন্তের বিষয়ে কেস ডায়েরী লিপিবদ্ধ করতে হবে (পিআরবি-২৬৩ বিধি)
১৭৩ অপরাধ প্রমান হলে চার্জশীট আর প্রমাণ না হলে চুড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করতে হবে। (পিআরবি-২৭২, ২৭৫ বিধি)।
  ১৭৪ পুলিশ কর্তৃক অপমৃত্যু ব্যক্তির সুরতহাল রির্পোট প্রস্তুত। (পিআরবি-২৯৯, ৩০০ বিধি)।
১৭৫ সুরতহাল রির্পোট প্রস্তুতের জন্য সাক্ষী ডাকতে হবে।
১৭৬ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপমৃত্যু ব্যক্তির সুরতহাল রির্পোট প্রস্তুত এবং কবর থেকে লাশ উত্তোলন।
৩৩৭ রাজসাক্ষী অর্থ্যাৎ অপরাধীর সহযোগিকে ক্ষমার প্রস্তাব (সাক্ষ্য আইন-১৩৩, পিআরবি-৪৮৬ বিধি)
৩৩৮ রাজসাক্ষী নিয়োগ/যে ক্ষমার প্রস্তার দিতে পারেন।
৩৩৯ রাজসাক্ষী সঠিক তথ্য না দিলে তার বিচার করা যাবে তবে ভিন্ন আদালতে বিচার করতে হবে।
৩৩৯ (খ) আসামীর অনুপস্থিতে বিচার।
৩৪০ আসামীর আত্মপক্ষসর্ম্থনমুলক জবানবন্দি
৩৪২ সাফাই সাক্ষী/আসামীর পক্ষে জবানবন্দি।
৪৯৬ জামিনযোগ্য অপরাধীকে গ্রেফতারের পর পুলিশ অফিসার উক্ত অপরাধীকে ছেড়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিতে পারেন।(পিআরবি-৩১৭ বিধি)।
৪৯৭ জামিনযোগ্য অপরাধীকে গ্রেফতারের পর পুলিশ অফিসার উক্ত অপরাধীকে ছেড়ে দিতে পারে না তবে উক্ত ব্যক্তি যদি অসুস্থ বা অতিবৃদ্ধ বা শিশু হয় তাহলে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিতে পারেন। (পিআরবি-৩১৭)।
৫০৯ (ক) ময়না তদন্তের রির্পোট (সাক্ষ্য আইন-৪৫, পিআরবি-৩০৬ বিধি)
৫২৩ বেওয়ারিশ সম্পত্তি বিলি ব্যবস্থাঃ
১। পুলিশ অফিসার তালিকাসহ মালামাল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।(পুলিশ আইন-২৫, পিআরবি-২৫১, ৩৭৯ বিধি)
২। ম্যাজিস্ট্রেট মালিক খুঁজে বাহির করার জন্য পত্রিকায় একটি বিজ্ঞপ্তি দিবেন। (পুলিশ আইন-২৬ ধারা)।
৫২৪ ৬ মাসের মধ্যে মালিক খুজে পাওয়া না গেলে বেওয়ারিশ সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করে টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হবে। (পুলিশ আইন-২৭ ধারা)।
৫২৫ বেওয়ারিশ সম্পত্তি পচনশীল হয় তাহলে পুলিশ নিজ ক্ষমতায় তাহা বিক্রয় করবেন এবং বিক্রয়লদ্ধ টাকা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন (পিআরবি-২৫১, ৩৭৯ বিধি)
৫৫০ সন্দিগ্ধ সম্পত্তি/পরিত্যক্ত সম্পত্তি আটকের ক্ষমতা।
৫৫১ ঊর্ধ্বতন অফিসার তার অধস্তন সকল দায়িত্ব নিতে পারবেন। অর্থ্যাৎ এসপি ওসির দায়িত্ব নিতে পারেন।
৫৬৫(৩) বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (পিআরবি-৩১৬ বিধি)।

 

 

 

print

About masum

Check Also

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইন ২০১৩ এর প্রয়োজনীয় ধারাসমূহ

  ধারা বিবরণ ৫৭ কোন ব্যক্তি সম্পর্কে অসত্য তথ্য/অশ্লীল ছবি/মানহানিকর কিছু তথ্য যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ …

2 comments

  1. জনাব,
    আসলামুয়ালাইকুম, কনস্টেবল হইতে এ.এস.আই (নিঃ) বিভাগীয় পরীক্ষার সাজেন্সন, সম্ভব্য প্রশ্নত্তোর এবং বিগত সালের প্রশ্নপত্র গুলো সুন্দর ও সু-স্পষ্ট ভাবে সাজানো হয়েছে। কিন্তু ২০১২-১৪ সালের প্রশ্নপত্র গুলো কোন উত্তর http://masumpolice.com দেয়া হয় নাই। যদি এই উত্তর গুলো দেয়া হয় তাহলে খুব উপকৃত হবো।

    আপনাকে ধন্যবাদ-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *